![]() |
| এসার অল-ইন-ওয়ান উইন্ডোজ ১০ পিসি |
Bangla Technology News 2015
Get Latest Online Bangla Technology News Updates
Translate
Saturday, 17 October 2015
এসার অল-ইন-ওয়ান উইন্ডোজ ১০ পিসি
যাঁরা যাঁরা একই পণ্যে ল্যাপটপ, ডেস্কটপ ও ট্যাবের সুবিধা পেতে চান তাঁদের কথা ভেবে অল-ইন-ওয়ান কনভার্টিবল নোটবুক আনার ঘোষণা দিয়েছে এসার। উইন্ডোজ ১০ অপারেটিং সিস্টেমনির্ভর এই নোটবুকটিতে পাঁচ ঘণ্টার বেশি ব্যাটারি ব্যাকআপ পাওয়া যাবে বলে দাবি করেছে তাইওয়ানের প্রযুক্তি পণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি। গতকাল সোমবার তাইপেতে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে অ্যাস্পায়ার জেড৩-৭০০ অল-ইন-ওয়ান ঘোষণা দেয় প্রতিষ্ঠানটি। এ ছাড়াও অ্যাস্পায়ার আর-১৪ নামেরও একটি কনভার্টিবল নোটবুক বাজারে ছাড়ার ঘোষণা দেয় এসার।
এসার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জেড৩-৭০০ অল-ইন-ওয়ান পণ্যটি পেন্টিয়াম বা সেলেরন প্রসেসরে চলবে। এতে থাকবে আট জিবি ডিডিআরথ্রিএল মেমোরি। এতে এসএসডি বা এইচডিডি স্টোরেজ সুবিধা থাকবে। ১৭ দশমিক ৩ ইঞ্চি মাপের ফুল এইচডি ডিসপ্লের এই অল-ইন-ওয়ান পণ্যটির দুই কেজি ওজনের । এতে স্টাইলাস পেন ব্যবহার করা যাবে। বিশেষ স্ট্যান্ডের সাহায্যে এটি ট্যাব হিসেবেও ব্যবহার করা যাবে। এর দাম হবে পারে ৬৯০ মার্কিন ডলার।
ইন্টারনেট ব্যবহারে প্রতিবেশি দেশগুলোর চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ
ইন্টারনেট
ব্যবহারে প্রতিবেশি দেশগুলোর চেয়ে এগিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ। এক্ষেত্রে
বিশ্বের বাংলাদেশের অবস্থান ১৪৯ ১৮৯টি দেশের মধ্যে ।ভারতের
অবস্থান ১৫৫ ও পাকিস্তানের অবস্থান ১৫৬তম। আইটিইউ ও
ইউনেসকো প্রকাশিত ‘দ্য স্টেট অব ব্রডব্যান্ড ২০১৫’
শীর্ষক
বৈশ্বিক প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে।
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) ওই প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে আজ
মঙ্গলবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানায়,
বাংলাদেশ
প্রতি ১০০ জনে তারযুক্ত ফিক্সড বা ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবহারে গত বছরের চেয়ে ৪
ধাপ এগিয়ে ১৩২ অবস্থানে উঠে এসেছে। এ সূচকে
বাংলাদেশ প্রতিবেশী রাষ্ট্র পাকিস্তান (১৩৫), নেপাল (১৩৯),
মিয়ানমার
(১৫১), আফগানিস্তান (১৮৫)সহ ৫৭টি দেশের চেয়ে এগিয়ে।
বিটিআরসির সচিব মো. সরওয়ার আলম জানান, যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে ডিজিটাল উন্নয়নের জন্য জাতিসংঘের ব্রডব্যান্ড কমিশনের সাম্প্রতিক সভায় আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্ব ব্রডব্যান্ড পরিস্থিতি নিয়ে এই প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। প্রতিবেদন অনুসারে উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে বাসা-বাড়িতে ইন্টারনেট সংযোগের হিসেব অনুযায়ী ১০১তম বাংলাদেশের অবস্থান এবং এর হার ৬ দশমিক ৫০ শতাংশ, যা ২০০৪ সালে ছিল ৪ দশমিক ৬ শতাংশ। ২০১৫ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী দেশে ব্যক্তিগত পর্যায়ে ইন্টারনেট ব্যবহারের হার ৯ দশমিক ৬। এতে বাংলাদেশের অবস্থান ১৬২। ১৪৪টি উন্নয়নশীল দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১১৫। ৪৮টি স্বল্পোন্নত দেশের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ২২।
ব্রডব্যান্ড কমিশনের এই প্রতিবেদন মূলত ২০১৪ সালের তথ্য থেকে তৈরি করা হয়েছে। বিটিআরসি জানিয়েছে, বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারের চিত্র আশাব্যঞ্জক হারে বাড়ছে। ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৫ কোটি ২২ লাখ বর্তমানে দেশে, এর মধ্যে মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৫ কোটি ৭ লাখ। যা মোট জনসংখ্যার প্রায় ৩২ ভাগ। থ্রিজি প্রযুক্তি চালুর পর বাংলাদেশে মোবাইলে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রতিনিয়ত দ্রুত বাড়ছে। কমিশনের প্রতিষ্ঠার পর থেকে ইন্টারনেট গ্রাহক সংখ্যা গত কয়েক বছরে ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে। ২০০২ সালে যেখানে গ্রাহক সংখ্যা ৭০ হাজার, ২০০৪ সালে ১ লাখ, ২০১১ সালে ২ কোটি, , ২০০৯ সালে ৭০ লাখ ,২০১৩ সালের জুলাই মাসে ২ কোটি ৬০ লাখ, ২০১৪ সালের জুলাই মাসে ৩ কোটি ৯৪ লাখ ছিল।
বিটিআরসি আরো জানিয়েছে, বিশ্বের ৫৬টি দেশে এখনো জাতীয় ব্রডব্যান্ড নীতিমালা প্রণয়ন করা না হলেও ২০০৯ সালে বাংলাদেশে এই নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে। বর্তমানে এটি আরও যুগোপযোগী করে নতুন ব্রডব্যান্ড নীতিমালা প্রণয়নের কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে। মানুষের জীবনের বিভিন্ন চাহিদা পূরণে সমর্থ হওয়ায় এবং প্রয়োজনীয় নানা বিষয়ের সঙ্গে সংযুক্ত থাকায় ইন্টারনেটের ব্যবহার বাড়ছে। সরকার ব্রডব্যান্ডের দাম কমিয়েছে। এতে ব্যক্তি পর্যায়েও দাম ধাপে ধাপে কমে আসছে। ফলে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের সংখ্যা বাড়ছে। -
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) ওই প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে আজ
![]() |
| ইন্টারনেট ব্যবহারে প্রতিবেশি দেশগুলোর চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ |
বিটিআরসির সচিব মো. সরওয়ার আলম জানান, যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে ডিজিটাল উন্নয়নের জন্য জাতিসংঘের ব্রডব্যান্ড কমিশনের সাম্প্রতিক সভায় আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্ব ব্রডব্যান্ড পরিস্থিতি নিয়ে এই প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। প্রতিবেদন অনুসারে উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে বাসা-বাড়িতে ইন্টারনেট সংযোগের হিসেব অনুযায়ী ১০১তম বাংলাদেশের অবস্থান এবং এর হার ৬ দশমিক ৫০ শতাংশ, যা ২০০৪ সালে ছিল ৪ দশমিক ৬ শতাংশ। ২০১৫ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী দেশে ব্যক্তিগত পর্যায়ে ইন্টারনেট ব্যবহারের হার ৯ দশমিক ৬। এতে বাংলাদেশের অবস্থান ১৬২। ১৪৪টি উন্নয়নশীল দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১১৫। ৪৮টি স্বল্পোন্নত দেশের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ২২।
ব্রডব্যান্ড কমিশনের এই প্রতিবেদন মূলত ২০১৪ সালের তথ্য থেকে তৈরি করা হয়েছে। বিটিআরসি জানিয়েছে, বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারের চিত্র আশাব্যঞ্জক হারে বাড়ছে। ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৫ কোটি ২২ লাখ বর্তমানে দেশে, এর মধ্যে মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৫ কোটি ৭ লাখ। যা মোট জনসংখ্যার প্রায় ৩২ ভাগ। থ্রিজি প্রযুক্তি চালুর পর বাংলাদেশে মোবাইলে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রতিনিয়ত দ্রুত বাড়ছে। কমিশনের প্রতিষ্ঠার পর থেকে ইন্টারনেট গ্রাহক সংখ্যা গত কয়েক বছরে ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে। ২০০২ সালে যেখানে গ্রাহক সংখ্যা ৭০ হাজার, ২০০৪ সালে ১ লাখ, ২০১১ সালে ২ কোটি, , ২০০৯ সালে ৭০ লাখ ,২০১৩ সালের জুলাই মাসে ২ কোটি ৬০ লাখ, ২০১৪ সালের জুলাই মাসে ৩ কোটি ৯৪ লাখ ছিল।
বিটিআরসি আরো জানিয়েছে, বিশ্বের ৫৬টি দেশে এখনো জাতীয় ব্রডব্যান্ড নীতিমালা প্রণয়ন করা না হলেও ২০০৯ সালে বাংলাদেশে এই নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে। বর্তমানে এটি আরও যুগোপযোগী করে নতুন ব্রডব্যান্ড নীতিমালা প্রণয়নের কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে। মানুষের জীবনের বিভিন্ন চাহিদা পূরণে সমর্থ হওয়ায় এবং প্রয়োজনীয় নানা বিষয়ের সঙ্গে সংযুক্ত থাকায় ইন্টারনেটের ব্যবহার বাড়ছে। সরকার ব্রডব্যান্ডের দাম কমিয়েছে। এতে ব্যক্তি পর্যায়েও দাম ধাপে ধাপে কমে আসছে। ফলে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের সংখ্যা বাড়ছে। -
প্রথম নিজস্ব ল্যাপটপ নিয়ে এলো মাইক্রোসফট
ফোনের
পর এবার নিজস্ব ল্যাপটপ নিয়ে এলো মাইক্রোসফট। মঙ্গলবার
সংস্থার অনুষ্ঠানে তিনটি ফোনের সঙ্গে প্রকাশ্যে আনা হল ল্যাপটপও। এই
ল্যাপটপ উইন্ডোজ ১০-এই চলবে ।
গত জুলাই মাসে সামনে আসে উইন্ডোজ ১০। এবার স্যামসাং আর অ্যাপলকে টেক্কা দিতেই উঠে পড়ে লেগেছে মাইক্রোসফট।
গত জুলাই মাসে সামনে আসে উইন্ডোজ ১০। এবার স্যামসাং আর অ্যাপলকে টেক্কা দিতেই উঠে পড়ে লেগেছে মাইক্রোসফট।
ল্যাপটপটির দাম পড়বে প্রায় ১ লাখ ১৬ হাজার টাকা। ২৬ অক্টোবর থেকে বাজারে পাওয়া যাবে এটি। ল্যাপটপে থাকছে ১৩.৫ ইঞ্চির স্ক্রিন। এই ল্যাপটপ আনায় মাইক্রোসফটের শেয়ার বেড়েছে অনেকাংশেই।
Friday, 16 October 2015
বৃহস্পতির নতুন ছবি প্রকাশ করল নাসা
নতুন ছবি প্রকাশ করল নাসা গত বৃহস্পতিবারে। তাতে দেখা যাচ্ছে, বৃহস্পতির গায়ের লাল ছোপ ক্রমশ ছোটো হয়ে আসছে। আর তার জেরেই চিন্তায় পড়েছেন নাসা গবেষকরা। তাঁদেরও এই লাল ছোপ ছোটো হয়ে যাওয়ার সঠিক কারণ জানা নেই।
নাসা সূত্রে খবর, যে ছবি প্রকাশ করেছে নাসা বৃহস্পতির তা মিলেছে গ্রহের বহির্জাগতিক পরিমণ্ডল গবেষণার দ্বারা। হাবেল স্পেস টেলিস্কোপের সাহায্যের গ্রহের পৃষ্ঠদেশের ছবি তোলা হয়। সেই ছবিই দেখাচ্ছে লাল ছোপ ক্রমশ ছোটো হচ্ছে। ১৮০০ সালে তোলা ছবিতে দেখা গিয়েছে এই লাল ছোপের আয়তন এতটাই বড় যে এর মধ্যে তিনটি পৃথিবী ঢুকে যেতে পারে। গত মে মাসের ছবিতে দেখা যায় আয়তন কমে এসে হয়েছে ১৬,৪৯৬ কিলোমিটার। তবে এদিনের ছবিতে লাল ছোপের আয়তন একধাক্কায় কমে হয়েছে ২৪০ কিলোমিটার।
এই লাল ছোপ তৈরি হয় গ্রহের পৃষ্ঠদেশের ঝড়ের ফলে। তিন শ বছরের টানা ঝড় তৈরি করেছিল এই লাল ছোপ। আগামী দিনে এই লাল ছোপ ছোটো হয়ে আসার ঘটনা গ্যাসের পিণ্ড বৃহস্পতি সম্পর্কে অনেক নতুন তথ্য দেবে বলে ধারণা করছেন গবেষকরা।
![]() |
| বৃহস্পতির নতুন ছবি প্রকাশ করল নাসা |
এই লাল ছোপ তৈরি হয় গ্রহের পৃষ্ঠদেশের ঝড়ের ফলে। তিন শ বছরের টানা ঝড় তৈরি করেছিল এই লাল ছোপ। আগামী দিনে এই লাল ছোপ ছোটো হয়ে আসার ঘটনা গ্যাসের পিণ্ড বৃহস্পতি সম্পর্কে অনেক নতুন তথ্য দেবে বলে ধারণা করছেন গবেষকরা।
অফিসকেই বাড়ি বানিয়ে সেরা সংস্থা হলো গুগল
- অফিসকেই বাড়ি বানিয়ে সেরা সংস্থা হলো গুগল অফিসে সাধারণত আপনি কী করেন? এক কথায় উত্তর দিতে হলে— ‘কাজ’! ‘কাজ’ না করেও অফিসে অনেকে মাসের শেষে মাইনে নিয়ে দিব্যি বাড়ি চলে যান ঠিকই, তবে সেই সব বিতর্কে গিয়ে লাভ নেই। আপনি জানেন, আপনি আপনার অফিসকে কতটা দিচ্ছেন এবং বিনিময়ে অফিসও আপনাকে কী দিচ্ছে! তবে, এই দেওয়া-নেওয়ার মাঝেই যে আপনার খাতে চলে আসে অনেকটা ক্লান্তি, সেটা কি অস্বীকার করতে পারেন? ঠিক এই জায়গাতেই অফিস-কালচারে ঘা মেরেছে গুগল! অফিসকেই তারা করে তুলেছে বাড়ি! যেমন ধরুন, আপনি কি অফিসে আপনার পোষ্যকে নিয়ে যেতে পারেন? বা, খাওয়া-দাওয়ার পর একটু ‘ভাতঘুম’ দেওয়ার
অভ্যাস আছে কি আপনার? ওয়ার্ক-আউট করার ইচ্ছে হলে সেই সুযোগ কি আপনাকে অফিস দেয়? কলকাতা-সহ ভারতের অনেক অফিসে জিম আছে ঠিকই, কিন্তু হাতের কাজ না মিটিয়ে সেখানে ঢুঁ মারার কোনও উপায় নেই। গুগল সে সবের ধার-কাছ দিয়েও যায় না! তাদের মূল মন্ত্র কর্মচারীকে স্বাচ্ছন্দ্যে রাখা! সেই জন্যই গুগলের অফিসে আপনি আপনার সাধের পোষ্যকে নিয়ে যেতে পারেন। নিয়ে যেতে পারেন বাচ্চাদের। ইচ্ছে হলে সেরে নিতে পারেন একটু-আধটু ওয়ার্ক-আউট। এছাড়া সাঁতারও কেটে নিতে পারেন কয়েক পাক
গুগলে ছবি তুলে অনুবাদ–সুবিধা
![]() |
| গুগলে ছবি তুলে অনুবাদ–সুবিধা |
নয়া কৌশল পিসি বিক্রির
হাতের মুঠোয় থাকা ফোনটাই এখন ছোটখাটো একটা কম্পিউটার। কথা বলা, বার্তা আদান-প্রদান তো হচ্ছেই; ব্যক্তিগত কম্পিউটারের অনেক কাজ এখন মোবাইলেই সেরে ফেলে অনেকে। স্বাভাবিকভাবেই ডেস্কটপ বা ল্যাপটপ কম্পিউটারের বিক্রি কমেছে। এ ধরনের ব্যক্তিগত কম্পিউটার বা পিসি বিক্রির হার বাড়াতে একজোট হচ্ছে পিসি নির্মাতা বড় বড় প্রতিষ্ঠানগুলো। এর নেতৃত্বে আছে বিশ্বের বৃহত্তম সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফট।
পিসির বিক্রি কমে যাওয়ার বা মানুষের পিসির প্রতি আগ্রহ কমার কারণটি ধরতে পেরেছে মাইক্রোসফট। তাই এবারে পিসি নির্মাতা ডেল, এইচপি, লেনোভো ও চিপ নির্মাতা ইনটেলকে নিয়ে একজোট হচ্ছে। তারা পিসির গুরুত্ব নিয়ে প্রচার চালাবে। কম্পিউটার নতুন নতুন কী কী করতে পারে সে কথা প্রচার করতে ‘পিসি ডাজ হোয়াট?’ নামে প্রচার শুরু করবে। এই প্রচার কৌশলের মধ্যে থাকবে টিভি বিজ্ঞাপন, অনলাইন বিজ্ঞাপন, ছাপা পত্রিকায় বিজ্ঞাপন প্রভৃতি। মাইক্রোসফটের সম্প্রতি বাজারে ছাড়া উইন্ডোজ ১০-এর প্রচারের জন্যই এই বিশেষ উদ্যোগ।
প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট রিকোড জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের বাজারে উইন্ডোজ ১০ চালিত পিসির গুণাগুণ তুলে ধরে প্রচার চালানোর পরিকল্পনা করছে মাইক্রোসফট। আধুনিককালের অন্যান্য ডিভাইসের চেয়ে উইন্ডোজ ১০ চালিত পিসি কোন দিক থেকে বেশি এগিয়ে তা প্রচার করবে পিসি নির্মাতারা।
ইনটেল, মাইক্রোসফট, এইচপি, ডেল ও লেনোভো আলাদা আলাদাভাবে অনেক পিসি বিক্রি করতে চাওয়ার খবরের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে প্রতিষ্ঠানগুলোর একজোট হওয়ার বিষয়টি। এই প্রথম বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রে একজোট হয়েছে তারা। সাধারণত পিসির বাজারে যন্ত্রাংশ নির্মাতা হিসেবে ইনটেল ও সফটওয়্যার নির্মাতা হিসেবে মাইক্রোসফট পিসি নির্মাতাদের চেয়েও বেশি লাভ করে। কিন্তু বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রে প্রতিটি প্রতিষ্ঠান আলাদাভাবে বিজ্ঞাপন দেয়।
এদিকে বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইডিসি বলছে, পিসির বাজার কমতে থাকায় এ ধরনের প্রচার দেখা যাচ্ছে। মানুষ এখন স্মার্টফোন, ট্যাবে,টিভি, বেশি টাকা খরচ করছে। ২০১৭ সাল পর্যন্ত পিসির বিক্রি ৮ শতাংশ পর্যন্ত কমতে থাকবে। ২০১৭ সালে গিয়ে পিসির বাজার স্থিতিশীল হতে পারে।
Subscribe to:
Posts (Atom)






