ইন্টারনেট
ব্যবহারে প্রতিবেশি দেশগুলোর চেয়ে এগিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ। এক্ষেত্রে
বিশ্বের বাংলাদেশের অবস্থান ১৪৯ ১৮৯টি দেশের মধ্যে ।ভারতের
অবস্থান ১৫৫ ও পাকিস্তানের অবস্থান ১৫৬তম। আইটিইউ ও
ইউনেসকো প্রকাশিত ‘দ্য স্টেট অব ব্রডব্যান্ড ২০১৫’
শীর্ষক
বৈশ্বিক প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে।
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) ওই প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে আজ
মঙ্গলবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানায়,
বাংলাদেশ
প্রতি ১০০ জনে তারযুক্ত ফিক্সড বা ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবহারে গত বছরের চেয়ে ৪
ধাপ এগিয়ে ১৩২ অবস্থানে উঠে এসেছে। এ সূচকে
বাংলাদেশ প্রতিবেশী রাষ্ট্র পাকিস্তান (১৩৫), নেপাল (১৩৯),
মিয়ানমার
(১৫১), আফগানিস্তান (১৮৫)সহ ৫৭টি দেশের চেয়ে এগিয়ে।
বিটিআরসির সচিব মো. সরওয়ার আলম জানান, যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে ডিজিটাল উন্নয়নের জন্য জাতিসংঘের ব্রডব্যান্ড কমিশনের সাম্প্রতিক সভায় আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্ব ব্রডব্যান্ড পরিস্থিতি নিয়ে এই প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। প্রতিবেদন অনুসারে উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে বাসা-বাড়িতে ইন্টারনেট সংযোগের হিসেব অনুযায়ী ১০১তম বাংলাদেশের অবস্থান এবং এর হার ৬ দশমিক ৫০ শতাংশ, যা ২০০৪ সালে ছিল ৪ দশমিক ৬ শতাংশ। ২০১৫ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী দেশে ব্যক্তিগত পর্যায়ে ইন্টারনেট ব্যবহারের হার ৯ দশমিক ৬। এতে বাংলাদেশের অবস্থান ১৬২। ১৪৪টি উন্নয়নশীল দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১১৫। ৪৮টি স্বল্পোন্নত দেশের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ২২।
ব্রডব্যান্ড কমিশনের এই প্রতিবেদন মূলত ২০১৪ সালের তথ্য থেকে তৈরি করা হয়েছে। বিটিআরসি জানিয়েছে, বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারের চিত্র আশাব্যঞ্জক হারে বাড়ছে। ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৫ কোটি ২২ লাখ বর্তমানে দেশে, এর মধ্যে মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৫ কোটি ৭ লাখ। যা মোট জনসংখ্যার প্রায় ৩২ ভাগ। থ্রিজি প্রযুক্তি চালুর পর বাংলাদেশে মোবাইলে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রতিনিয়ত দ্রুত বাড়ছে। কমিশনের প্রতিষ্ঠার পর থেকে ইন্টারনেট গ্রাহক সংখ্যা গত কয়েক বছরে ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে। ২০০২ সালে যেখানে গ্রাহক সংখ্যা ৭০ হাজার, ২০০৪ সালে ১ লাখ, ২০১১ সালে ২ কোটি, , ২০০৯ সালে ৭০ লাখ ,২০১৩ সালের জুলাই মাসে ২ কোটি ৬০ লাখ, ২০১৪ সালের জুলাই মাসে ৩ কোটি ৯৪ লাখ ছিল।
বিটিআরসি আরো জানিয়েছে, বিশ্বের ৫৬টি দেশে এখনো জাতীয় ব্রডব্যান্ড নীতিমালা প্রণয়ন করা না হলেও ২০০৯ সালে বাংলাদেশে এই নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে। বর্তমানে এটি আরও যুগোপযোগী করে নতুন ব্রডব্যান্ড নীতিমালা প্রণয়নের কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে। মানুষের জীবনের বিভিন্ন চাহিদা পূরণে সমর্থ হওয়ায় এবং প্রয়োজনীয় নানা বিষয়ের সঙ্গে সংযুক্ত থাকায় ইন্টারনেটের ব্যবহার বাড়ছে। সরকার ব্রডব্যান্ডের দাম কমিয়েছে। এতে ব্যক্তি পর্যায়েও দাম ধাপে ধাপে কমে আসছে। ফলে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের সংখ্যা বাড়ছে। -
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) ওই প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে আজ
![]() |
| ইন্টারনেট ব্যবহারে প্রতিবেশি দেশগুলোর চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ |
বিটিআরসির সচিব মো. সরওয়ার আলম জানান, যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে ডিজিটাল উন্নয়নের জন্য জাতিসংঘের ব্রডব্যান্ড কমিশনের সাম্প্রতিক সভায় আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্ব ব্রডব্যান্ড পরিস্থিতি নিয়ে এই প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। প্রতিবেদন অনুসারে উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে বাসা-বাড়িতে ইন্টারনেট সংযোগের হিসেব অনুযায়ী ১০১তম বাংলাদেশের অবস্থান এবং এর হার ৬ দশমিক ৫০ শতাংশ, যা ২০০৪ সালে ছিল ৪ দশমিক ৬ শতাংশ। ২০১৫ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী দেশে ব্যক্তিগত পর্যায়ে ইন্টারনেট ব্যবহারের হার ৯ দশমিক ৬। এতে বাংলাদেশের অবস্থান ১৬২। ১৪৪টি উন্নয়নশীল দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১১৫। ৪৮টি স্বল্পোন্নত দেশের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ২২।
ব্রডব্যান্ড কমিশনের এই প্রতিবেদন মূলত ২০১৪ সালের তথ্য থেকে তৈরি করা হয়েছে। বিটিআরসি জানিয়েছে, বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারের চিত্র আশাব্যঞ্জক হারে বাড়ছে। ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৫ কোটি ২২ লাখ বর্তমানে দেশে, এর মধ্যে মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৫ কোটি ৭ লাখ। যা মোট জনসংখ্যার প্রায় ৩২ ভাগ। থ্রিজি প্রযুক্তি চালুর পর বাংলাদেশে মোবাইলে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রতিনিয়ত দ্রুত বাড়ছে। কমিশনের প্রতিষ্ঠার পর থেকে ইন্টারনেট গ্রাহক সংখ্যা গত কয়েক বছরে ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে। ২০০২ সালে যেখানে গ্রাহক সংখ্যা ৭০ হাজার, ২০০৪ সালে ১ লাখ, ২০১১ সালে ২ কোটি, , ২০০৯ সালে ৭০ লাখ ,২০১৩ সালের জুলাই মাসে ২ কোটি ৬০ লাখ, ২০১৪ সালের জুলাই মাসে ৩ কোটি ৯৪ লাখ ছিল।
বিটিআরসি আরো জানিয়েছে, বিশ্বের ৫৬টি দেশে এখনো জাতীয় ব্রডব্যান্ড নীতিমালা প্রণয়ন করা না হলেও ২০০৯ সালে বাংলাদেশে এই নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে। বর্তমানে এটি আরও যুগোপযোগী করে নতুন ব্রডব্যান্ড নীতিমালা প্রণয়নের কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে। মানুষের জীবনের বিভিন্ন চাহিদা পূরণে সমর্থ হওয়ায় এবং প্রয়োজনীয় নানা বিষয়ের সঙ্গে সংযুক্ত থাকায় ইন্টারনেটের ব্যবহার বাড়ছে। সরকার ব্রডব্যান্ডের দাম কমিয়েছে। এতে ব্যক্তি পর্যায়েও দাম ধাপে ধাপে কমে আসছে। ফলে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের সংখ্যা বাড়ছে। -

No comments:
Post a Comment